SheikSadi

নারীদের কেন ফিতনা বলা হয়েছে?

Oct 24th, 2021
108
0
Never
Not a member of Pastebin yet? Sign Up, it unlocks many cool features!
text 4.85 KB | None | 0 0
  1. নারীদের কেন ফিতনা বলা হয়েছে?
  2.  
  3. নারীদের ফিতনাকে আপনি নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা অনুযায়ী বুঝছেন। কোরআনে আল্লাহ নিজের পরিবার ও সন্তান-সন্ততিকে ফিতনা বলেছেন। তাই বলে কি পরিবার গঠন হারাম?
  4.  
  5. إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ ۚ وَاللَّهُ عِندَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ (التغابن 15)
  6.  
  7. মহান আল্লাহ বলেন, 'তোমাদের ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততি ফিতনা। আর আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরষ্কার।' (তাগাবুন ১৫)
  8.  
  9. يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ مِنْ أَزْوَاجِكُمْ وَأَوْلَادِكُمْ عَدُوًّا لَّكُمْ فَاحْذَرُوهُمْ (التغابن 14)
  10.  
  11. 'হে মুমিনগণ! তোমাদের বউ-বাচ্চারা তোমাদের শত্রু। তাদের থেকে সাবধান থাকো!' (তাগাবুন ১৪)
  12.  
  13. অথচ আপনি ক্লাসিকাল স্কলারদের কাছে গেলে সঠিক ব্যাখ্যা পেতেন।
  14.  
  15. আল্লামা মুনাভি ফায়যুল কাদিরে বলেন,
  16. (اللهم إني أعوذ بك من فتنة النساء) أي الامتحان بهن والابتلاء بمحبتهن وإنما يستعاذ من فتنتهن لأنها أضر الفتن وأعظم المحن
  17. নারীদের ফিতনা হচ্ছে তাদের প্রেমে পড়া এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর দ্বারা পরীক্ষিত হওয়া।
  18.  
  19. কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, তিনি নারীদেরকে পুরুষের জন্য সুন্দর করেছেন। এটা কোন নেতিবাচক কথা নয়। নারীদের প্রেমে পড়াও কোন মন্দ বিষয় নয়।
  20.  
  21. ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম তার আদ দা ওয়াদ দাওয়া কিতাবে বলেন:
  22.  
  23. عشق مباح لا يُملَك، كعشق من وُصفت له امرأة جميلة، أو رآها فجأة من غير قصد، فأورثه ذلك عشقًا لها، ولم يُحدِث له ذلك العشق معصيةً؛ فهذا لا يُملَك ولا يعاقَب عليه. والأنفع له مدافعته، والاشتغال بما هو أنفع له. والواجب على هذا أن يكتم، ويعفّ، ويصبر على بلواه. فيثيبه الله على ذلك، ويعوّضه على صبره لله، وعفّته، وتركِه طاعة هواه، وإيثارِ مرضاة الله وما عنده
  24.  
  25. 'বৈধ প্রেম হচ্ছে যার ব্যাপারে ব্যক্তির নিয়ন্ত্রন নেই। যেমন কোন সুন্দরী নারীর বিবরণ শুনে তার প্রেমে পড়া কিংবা তাকে হটাত দেখে ফেলে তার প্রেমে পড়ে যাওয়া। যদি এই প্রেম তাকে কোন গুনাহের দিকে ধাবিত না করে, তবে এই নিয়ন্ত্রন বিহীন প্রেমের কারণে সে আল্লাহর কাছে কোন শাস্তি পাবে না। তার জন্য উচিত হবে এই প্রেমকে মন থেকে দূর করা এবং উপকারী কাজকর্মে মনোনিবেশ করা। (এমন ব্যক্তিকে আল্লাহ নারীর মাধ্যমে পরীক্ষা নিচ্ছেন) তার উচিত হবে এই প্রেমের কথা গোপন রাখা, সংযম গ্রহণ করা, পরীক্ষার উপর ধৈর্য ধরা। ফলে আল্লাহ তাকে পুরষ্কার দিবেন। তার উচিত ধৈর্য ও সংযমের মাধ্যমে নিজকে আল্লাহর সোপর্দ করা। প্রবৃত্তির অনুসরণের অপরাধ থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও প্রতিদানকে প্রাধান্য দেয়া।'
  26.  
  27.  
Advertisement
Add Comment
Please, Sign In to add comment