SheikSadi

ইলমী কথা মানুষকে বলার জন্য কোন শায়খের ইজাযা থাকা শর্ত নয়। শর্ত হল কাজটির জন্য যোগ্য হওয়া।

Oct 31st, 2021
35
0
Never
Not a member of Pastebin yet? Sign Up, it unlocks many cool features!
text 3.30 KB | None | 0 0
  1. ইলমী কথা মানুষকে বলার জন্য কোন শায়খের ইজাযা থাকা শর্ত নয়। শর্ত হল কাজটির জন্য যোগ্য হওয়া।
  2. ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী বলেন,
  3. "মানুষকে ইলমের কথা শোনানোর জন্য, ইলমী বিষয়ে তাদের উপকার করার জন্য কোন শায়খের ইজাযাহ থাকা কোন বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
  4. যে ব্যাক্তি নিজেকে এই কাজের জন্য যোগ্য বলে জানে তার জন্যই এটা জায়েয। কারো ইজাযাহ/অনুমতি থাকুক বা না থাকুক।
  5. আর এটাই ছিল সালাফে সালেহীন ও পূর্ববর্তীদের পদ্ধতি।
  6. জ্ঞানের সব শাখাতেই এই কথা প্রযোজ্য - সেটা পড়ানো হতে পারে কিংবা ইফতা।
  7. নির্বোধ প্রজাতির মানুষজন এটাকে যেমন শর্ত ভাবে, মূলত বিষয়টি তেমন নয়।
  8. আসল বিষয় হল, মানুষের মাঝে এই ইজাযাহর পদ্ধতিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কারণ একজন প্রাথমিক ছাত্রের পক্ষে যোগ্য ব্যাক্তিকে চেনা সম্ভব না। কারণ এটা বিচার করার সামর্থ্য তাদের থাকে না।
  9. একজন ছাত্রের জন্য কারো কাছ থেকে ইলম নেবার পূর্বে তার যোগ্যতা আছে কিনা সেটা যাচাই করে নেয়া বাধ্যতামূলক শর্ত।
  10. আর একারণে ইজাযাহ বিষয়টি প্রাথমিক ছাত্রের জন্য শায়খের তরফ থেকে সেই ব্যাক্তির ইলমের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার সমতুল্য।"
  11. — আল ইতকান ফি উলুমিল কোরআন।
  12. الإجازة من الشيخ غير شرط في جواز التصدي للإقراء والإفادة ، فمن علم من نفسه الأهلية جاز له ذلك وإن لم يجزه أحد ، وعلى ذلك السلف الأولون والصدر الصالح ، وكذلك في كل علم ، وفي الإقراء والإفتاء ، خلافا لما يتوهمه الأغبياء من اعتقاد كونها شرطا . وإنما اصطلح الناس على الإجازة ; لأن أهلية الشخص لا يعلمها غالبا من يريد الأخذ عنه من المبتدئين ونحوهم ; لقصور مقامهم عن ذلك ، والبحث عن الأهلية قبل الأخذ شرط ، فجعلت الإجازة كالشهادة من الشيخ للمجاز بالأهلية .
  13.  
Advertisement
Add Comment
Please, Sign In to add comment