Not a member of Pastebin yet?
Sign Up,
it unlocks many cool features!
- ইলমী কথা মানুষকে বলার জন্য কোন শায়খের ইজাযা থাকা শর্ত নয়। শর্ত হল কাজটির জন্য যোগ্য হওয়া।
- ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী বলেন,
- "মানুষকে ইলমের কথা শোনানোর জন্য, ইলমী বিষয়ে তাদের উপকার করার জন্য কোন শায়খের ইজাযাহ থাকা কোন বাধ্যতামূলক শর্ত নয়।
- যে ব্যাক্তি নিজেকে এই কাজের জন্য যোগ্য বলে জানে তার জন্যই এটা জায়েয। কারো ইজাযাহ/অনুমতি থাকুক বা না থাকুক।
- আর এটাই ছিল সালাফে সালেহীন ও পূর্ববর্তীদের পদ্ধতি।
- জ্ঞানের সব শাখাতেই এই কথা প্রযোজ্য - সেটা পড়ানো হতে পারে কিংবা ইফতা।
- নির্বোধ প্রজাতির মানুষজন এটাকে যেমন শর্ত ভাবে, মূলত বিষয়টি তেমন নয়।
- আসল বিষয় হল, মানুষের মাঝে এই ইজাযাহর পদ্ধতিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কারণ একজন প্রাথমিক ছাত্রের পক্ষে যোগ্য ব্যাক্তিকে চেনা সম্ভব না। কারণ এটা বিচার করার সামর্থ্য তাদের থাকে না।
- একজন ছাত্রের জন্য কারো কাছ থেকে ইলম নেবার পূর্বে তার যোগ্যতা আছে কিনা সেটা যাচাই করে নেয়া বাধ্যতামূলক শর্ত।
- আর একারণে ইজাযাহ বিষয়টি প্রাথমিক ছাত্রের জন্য শায়খের তরফ থেকে সেই ব্যাক্তির ইলমের পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার সমতুল্য।"
- — আল ইতকান ফি উলুমিল কোরআন।
- الإجازة من الشيخ غير شرط في جواز التصدي للإقراء والإفادة ، فمن علم من نفسه الأهلية جاز له ذلك وإن لم يجزه أحد ، وعلى ذلك السلف الأولون والصدر الصالح ، وكذلك في كل علم ، وفي الإقراء والإفتاء ، خلافا لما يتوهمه الأغبياء من اعتقاد كونها شرطا . وإنما اصطلح الناس على الإجازة ; لأن أهلية الشخص لا يعلمها غالبا من يريد الأخذ عنه من المبتدئين ونحوهم ; لقصور مقامهم عن ذلك ، والبحث عن الأهلية قبل الأخذ شرط ، فجعلت الإجازة كالشهادة من الشيخ للمجاز بالأهلية .
Advertisement
Add Comment
Please, Sign In to add comment