Not a member of Pastebin yet?
Sign Up,
it unlocks many cool features!
- নাকদু মারাতিবিল ইজমা গ্রন্থে ইমাম ইবনে তায়মিয়্যাহ বলেন,
- «ائتمام الرجال الأميين بالمرأة القارئة في قيام رمضان يجوز في المشهور عن أحمد، وفي سائر التطوع روايتان»
- ইমাম আহমদের প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী, কারী মহিলার ইমামাতিতে নিরক্ষর পুরুষদের রমজানের কিয়ামে নামায পড়া জায়েয। আর অন্যান্য সকল নফল নামাযের ক্ষেত্রে দুইটি মত পাওয়া যায়।
- মাজমুউল ফাতাওয়া (২৩/২৪৮)
- ইবনে তায়মিয়্যাহ বলেন,
- «جَوَّزَ أَحْمَد عَلَى الْمَشْهُورِ عَنْهُ أَنْ تَؤُمَّ الْمَرْأَةُ الرِّجَالَ لِحَاجَةِ مِثْلَ أَنْ تَكُونَ قَارِئَةً وَهُمْ غَيْرُ قَارِئِينَ فَتُصَلِّي بِهِمْ التَّرَاوِيحَ كَمَا أَذِنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُمِّ وَرَقَةَ أَنْ تَؤُمَّ أَهْلَ دَارِهَا وَجَعَلَ لَهَا مُؤَذِّنًا
- ইমাম আহমদের প্রসিদ্ধ মত অনুযায়ী প্রয়োজনবশত নারীর ইমামতিতে পুরুষরা নামায পড়তে পারবে যেমন: নারী যদি কারী হয় আর পুরুষরা কিরাআতে অক্ষম হয়। কেননা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে ওয়াকাহকে অনুমতি দিয়েছিলেন তার ঘরের লোকদের নামায পড়ানোর এবং তার জন্য একজন মুয়াজ্জিনও ঠিক করে দিয়েছিলেন।
- ইমাম শামসুদ্দিন যারাকশি শারহুল খিরাকিতে (২/৯৫) বলেন
- «ومنصوص أحمد - في رواية المروذي، وهو اختيار عامة الأصحاب - أنها يجوز أن تؤمهم في صلاة التراويح، وتكون وراءهم»
- ইমাম আহমদের সুস্পষ্ট বক্তব্য অনুযায়ী, যা মুররুযি বর্ণনা করেছেন এবং মাযহাবের সর্বসাধারণের মত হচ্ছে, নারী তারাবীর নামাযে পুরুষের ইমাম হতে পারবে, তবে পুরুষের পেছনে দাঁড়াবে।
- ইমাম আলাউদ্দিন আর মারদাভি ইনসাফ গ্রন্থে (২/২৬৪) বলেন,
- :
- «تصح في التراويح نص عليه، وهو الأشهر عند المتقدمين قال أبو الخطاب، وقال أصحابنا: تصح في التراويح قال في مجمع البحرين اختاره أكثر الأصحاب»
- "তারাবির নামাযে ইমামতি বিশুদ্ধ হবে। ইমামের স্পষ্ট বক্তব্য আছে। পূর্ববর্তীদের নিকট এটাই প্রসিদ্ধ মত। আবুল খাত্তাব বলেন, আমাদের মাযহাবের আলেমরা বলেছেন, তারাবীর নামাযে বিশুদ্ধ হবে। মাজমাউল বাহরাইন কিতাবে বলা হয়েছে, অধিকাংশ হাম্বলি আলেম এই মতটি গ্রহণ করেছেন।"
Advertisement
Add Comment
Please, Sign In to add comment